মাত্রাবৃত্ত ছন্দ
যে কাব্য ছন্দে মূল পর্ব চার, পাঁচ, ছয় বা সাত মাত্রার হয় এবং যা মধ্যম লয়ে পাঠ করা হয়, তাঁকে মাত্রাবৃত্ত ছন্দ বলে। এ ছন্দকে বর্ণবৃত্ত বা ধ্বনিপ্রধান ছন্দ বা কলাবৃত্ত ছন্দ বলে। উদাহরণ-
সোনার পাখি ছিল
সোনার খাঁচাটিতে
বনের পাখি ছিল
বনে
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
(মাত্রা - ৭/৭/৭/২)।
মাত্রাবৃত্ত ছন্দের বৈশিষ্ট্য:
ক. মূল পর্বে মাত্রা সংখ্যা ৪, ৫, ৬,৭ বা ৮ মাত্রার হয়।
খ. এ ছন্দে প্রধানত ৬ মাত্রার প্রচলন বেশি।
গ. অনুস্বর বা বিসর্গের পূর্ববর্তী স্বর দীর্ঘ।
উদাহরণ: আমরা = আম (১+১) + রা (১) = ৩ অক্ষর।
Content added By